শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদকসহ ইউপি সদস্য আটক বিসিক ও প্রিজমের তিনটি প্রশিক্ষণ সমাপ্ত কুমিল্লার চান্দিনায় আ’লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় ৫প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমাদান জুয়েলের গাড়ির বহরসহ কয়েক হাজার মানুষের ঢল  বাউফলে পৌর আওয়ামীলীগের (একাংশের) উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত. নওগাঁর মহাদেবপুরে জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালন কুমিল্লার দৌলতপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে ১০ ঘর পুড়ে ছাই  চান্দিনায় গাঁজাসহ ২ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় ফরেস্টার আলইয়াদুল বারীর বদলী আদেশ স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন সরিষাবাড়ীতে মাদক, বাল্যবিবাহ, নারীনির্যাতন ও গরুচুরি প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত

তাইওয়ানকে অস্ত্র দিতে সায় যুক্তরাষ্ট্র, চীনকে চাপে রাখতে

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৩ সময় দর্শন

অনলাইন ডেস্কঃ

চীনকে চাপে রাখতে তাইওয়ানকে আরো অস্ত্র বিক্রি করার প্রস্তাবে সায় দিল যুক্তরাষ্ট্র। কিছু দিন আগেই প্রায় এক দশমিক আট বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র তাইওয়ানকে বিক্রি করার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছিল আমেরিকা। এবার সমুদ্র উপকূলে ব্যবহার করার জন্য অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রিতেও রাজি তারা। আমেরিকার এই পদক্ষেপ চীনের সঙ্গে তাদের সংঘাত আরো বাড়াবে। আগেই তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রির প্রসঙ্গে কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছিল চীন।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, যে সব কোম্পানি তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রি করছে, তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির পরিকল্পনা করছে চীন। ১৯৪৯ সালে গৃহযুদ্ধের পর চীন থেকে নিজেদের আলাদা করে নিয়েছিল তাইওয়ান। তৈরি হয়েছিল স্বাধীন সরকার। যদিও তাইওয়ানকে আলাদা রাষ্ট্রের সম্মান দিতে রাজি নয় চীন। তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলেই তারা মনে করে। বস্তুত, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাইওয়ানকে নতুন করে দখলের কথাও বলেছে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।

আমেরিকার সঙ্গে তাইওয়ানের সরাসরি কোনো চুক্তি নেই। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরেই তাইওয়ানকে বিশ্বের আরো অনেক দেশের মতোই আলাদা রাষ্ট্রের সম্মান দেয় আমেরিকা। আমেরিকার সঙ্গে তাইওয়ানের বেশ কিছু অলিখিত সম্পর্কও রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়ায় আমেরিকা। বাণিজ্য থেকে অস্ত্র সবরকম সম্পর্কই আছে দুই দেশের মধ্যে।

 

করোনাকালে আমেরিকার সঙ্গে চীনের দূরত্ব বেড়েছে। চীনের হংকং নীতি এবং তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সরব হয়েছে আমেরিকাসহ অনেকেই। ইউরোপীয় ইউনিয়নও তাইওয়ানে প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। দক্ষিণ চীন সমুদ্রের রাজনীতি অন্য মাত্রা পেয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, জাপান, আমেরিকা এবং ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এক জোট হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার সঙ্গে তাইওয়ানের অস্ত্র চুক্তি চীনকে আরো ক্ষেপিয়ে দিয়েছে।

সম্প্রতি তাইওয়ানকে এফ ১৬ যুদ্ধবিমানের সেন্সর, মিসাইল, রকেট লঞ্চারসহ একাধিক অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবে সায় দিয়েছে আমেরিকা। এবার তাদের দেওয়া হচ্ছে দুই দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কোস্টাল ডিফেন্স সিস্টেম। এই অস্ত্রের সাহায্যে যুদ্ধ জাহাজ, বিমান, সাবমেরিন ধ্বংস করা সম্ভব। অত্যাধুনিক এই অস্ত্র জিপিএসের সাহায্যে চালানো যায়।

আমেরিকার বক্তব্য, এই অস্ত্রের সাহায্যে তাইওয়ান তাদের উপকূল রক্ষা করতে পারবে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, দক্ষিণ চীন সমুদ্র অঞ্চলে চীনের নৌবাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী। ফলে নিজেদের সুবিধার্থেই তাইওয়ানকে বোয়িংয়ের তৈরি এই অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে রাখল আমেরিকা।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং কমিউনিস্ট পার্টি- সকলেই তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রির তীব্র বিরোধিতা করেছে। বোয়িংসহ একাধিক মার্কিন সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার কথাও বলা হয়েছে। যদিও তাতে আমেরিকা অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন না। তবে আমেরিকার এই কাজ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে উত্তেজনা আরো বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

     দেশের কন্ঠ ২৪.কম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
সহযোগিতায় রায়তা-হোস্ট ডিজাইন : SmartiTHost
desharkontho-lite