শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদকসহ ইউপি সদস্য আটক বিসিক ও প্রিজমের তিনটি প্রশিক্ষণ সমাপ্ত কুমিল্লার চান্দিনায় আ’লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় ৫প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমাদান জুয়েলের গাড়ির বহরসহ কয়েক হাজার মানুষের ঢল  বাউফলে পৌর আওয়ামীলীগের (একাংশের) উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত. নওগাঁর মহাদেবপুরে জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালন কুমিল্লার দৌলতপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে ১০ ঘর পুড়ে ছাই  চান্দিনায় গাঁজাসহ ২ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় ফরেস্টার আলইয়াদুল বারীর বদলী আদেশ স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন সরিষাবাড়ীতে মাদক, বাল্যবিবাহ, নারীনির্যাতন ও গরুচুরি প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সাইনোসাইটিস রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কে বললেন,ডা. সাইফুল আলম

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪১ সময় দর্শন

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

সাইনোসাইটিস অতি পরিচিত একটি রোগ।আমাদের নাকের চারপাশের অস্থিগুলোর পাশে বাতাসপূর্ণ কুঠরি থাকে।এদের সাইনাস বলে। সাইনাসের কাজ হলো মাথাকে হালকা রাখা, মাথাকে আঘাত থেকে রক্ষা করা, কণ্ঠস্বরকে সুরেলা রাখা, দাঁত ও চোয়াল গঠনে সহায়তা করা। যদি কোনো কারণে এ সাইনাসগুলোয় প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। সাইনোসাইটিস ব্যাকটেরিয়া-জনিত ইনফেকশন, অ্যালার্জি অথবা অটোইমিউন ডিজিজ ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে।এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে সারা বিশ্বের প্রতি ১০০ জনের ৫ থেকে ১০ শতাংশ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।ঠাণ্ডার দেশে এই রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।এর
উপসর্গ গুলো হলো,
মাথাব্যথা, মাথা ভার ভার লাগা ও মাথা বদ্ধভাব, নাক বন্ধ, নাক ভারী হয়ে থাকা, নাক দিয়ে অবিরাম বা ঘন ঘন পানি পড়া, নাকে গন্ধ না পাওয়া, মাঝে মাঝে বেশ জ্বর ওঠা বা সবসময় হালকা হালকা জ্বর ভাব থাকা, সবসময় শারীরিক দুর্বলতা, নাক ডাকা ও ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট বা দম বন্ধ হয়ে আসা বা স্লিপ এপনিয়া সিনড্রোম এগুলো সাধারণ উপসর্গগুলোর মধ্যে অন্যতম।

চিকিৎসা
সাইনুসাইটিসের সমস্যায় ভুগলে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন। এতে করে কিছুটা আরাম পাবেন, নাকের বন্ধভাবটাও কাটবে বেশ। এ ছাড়া নাক পরিষ্কার করতে হবে খুব ভালোভাবে। নাকের ভেতর কোনো কেমিক্যাল যেমন- বেনজিন, মেন্থলজাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না।জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল এবং চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সাইনোসাইটিস রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কে বললেন,ডা. সাইফুল আলম।

রাকিব হাসান, মাদারীপুর প্রতিনিধি।

সাইনোসাইটিস অতি পরিচিত একটি রোগ।আমাদের নাকের চারপাশের অস্থিগুলোর পাশে বাতাসপূর্ণ কুঠরি থাকে।এদের সাইনাস বলে। সাইনাসের কাজ হলো মাথাকে হালকা রাখা, মাথাকে আঘাত থেকে রক্ষা করা, কণ্ঠস্বরকে সুরেলা রাখা, দাঁত ও চোয়াল গঠনে সহায়তা করা। যদি কোনো কারণে এ সাইনাসগুলোয় প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। সাইনোসাইটিস ব্যাকটেরিয়া-জনিত ইনফেকশন, অ্যালার্জি অথবা অটোইমিউন ডিজিজ ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে।এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে সারা বিশ্বের প্রতি ১০০ জনের ৫ থেকে ১০ শতাংশ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।ঠাণ্ডার দেশে এই রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।এর
উপসর্গ গুলো হলো,
মাথাব্যথা, মাথা ভার ভার লাগা ও মাথা বদ্ধভাব, নাক বন্ধ, নাক ভারী হয়ে থাকা, নাক দিয়ে অবিরাম বা ঘন ঘন পানি পড়া, নাকে গন্ধ না পাওয়া, মাঝে মাঝে বেশ জ্বর ওঠা বা সবসময় হালকা হালকা জ্বর ভাব থাকা, সবসময় শারীরিক দুর্বলতা, নাক ডাকা ও ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট বা দম বন্ধ হয়ে আসা বা স্লিপ এপনিয়া সিনড্রোম এগুলো সাধারণ উপসর্গগুলোর মধ্যে অন্যতম।

চিকিৎসা
সাইনুসাইটিসের সমস্যায় ভুগলে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন। এতে করে কিছুটা আরাম পাবেন, নাকের বন্ধভাবটাও কাটবে বেশ। এ ছাড়া নাক পরিষ্কার করতে হবে খুব ভালোভাবে। নাকের ভেতর কোনো কেমিক্যাল যেমন- বেনজিন, মেন্থলজাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না।জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল এবং চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে হতে পারেন।

প্রতিরোধ
যেহেতু অ্যালার্জি, ঠাণ্ডা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সমস্যাগুলো থেকে সাইনোসাইটিসের অবতরণ ঘটে, তাই এটা গুরুত্বপূর্ণ যে, সাইনোসাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার আগেই এসব সমস্যার সমাধান করা।  যদি আপনি ধূমপান করেন, তবে তা পরিত্যাগ করুন। বাড়িতে কার্পেট ব্যবহার করবেন না,ফোম দিয়ে তৈরি আসবাবপত্র ব্যবহার করবেন না। নাকে খুব জোরে যাতে আঘাত না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।ঘুমানোর সময় মাথা উঁচু রাখুন, যাতে সাইনাস নিজে থেকেই বেরিয়ে আসতে পারে।

এবং অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে হতে পারেন।

প্রতিরোধ
যেহেতু অ্যালার্জি, ঠাণ্ডা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সমস্যাগুলো থেকে সাইনোসাইটিসের অবতরণ ঘটে, তাই এটা গুরুত্বপূর্ণ যে, সাইনোসাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার আগেই এসব সমস্যার সমাধান করা।  যদি আপনি ধূমপান করেন, তবে তা পরিত্যাগ করুন। বাড়িতে কার্পেট ব্যবহার করবেন না,ফোম দিয়ে তৈরি আসবাবপত্র ব্যবহার করবেন না। নাকে খুব জোরে যাতে আঘাত না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।ঘুমানোর সময় মাথা উঁচু রাখুন, যাতে সাইনাস নিজে থেকেই বেরিয়ে আসতে পারে।

রাকিব হাসান                                                                                                           দেশের কন্ঠ ২৪.কম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
সহযোগিতায় রায়তা-হোস্ট ডিজাইন : SmartiTHost
desharkontho-lite