শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদকসহ ইউপি সদস্য আটক বিসিক ও প্রিজমের তিনটি প্রশিক্ষণ সমাপ্ত কুমিল্লার চান্দিনায় আ’লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় ৫প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমাদান জুয়েলের গাড়ির বহরসহ কয়েক হাজার মানুষের ঢল  বাউফলে পৌর আওয়ামীলীগের (একাংশের) উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত. নওগাঁর মহাদেবপুরে জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালন কুমিল্লার দৌলতপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে ১০ ঘর পুড়ে ছাই  চান্দিনায় গাঁজাসহ ২ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় ফরেস্টার আলইয়াদুল বারীর বদলী আদেশ স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন সরিষাবাড়ীতে মাদক, বাল্যবিবাহ, নারীনির্যাতন ও গরুচুরি প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বাউফলে ইউএনও কর্তৃক সরকারি জমি উদ্ধার পরে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে দখল

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০
  • ৪০৫১ সময় দর্শন

 নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

পটুয়াখালীর বাউফলে থানার সামনে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের পর স্থানীয় এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে পুনরায় সেই জায়গা দখল করে নেয়া হয়েছে।

এব্যাপারে ইউএনও জাকির হোসেন বলেন, ওই জায়গা ১নং খাস খতিয়ানের। ৮ শতাংশ জমি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন গংরা যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদলতের একটি আদেশের কপি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের জায়গায় সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন। ওই আদেশে জনৈক সৈয়দ আহম্মেদকে বিবাদী করা হলেও সরকারকে কোন বিবাদী করা হয়নি। আদালতকে ভুল বুঝিয়ে এক তরফা একটি আদেশ নেয়া হয়েছে। আমরা কাগজপত্র পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করেবো।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাউফল থানার সামনে ১নং খাস খতিয়ানের ৩৮ শতাংশ জমির মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ৮ শতাংশ জমি বরাদ্ধ দেয়া হয়। ওই জমিতে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৮শ ৩৬ টাকা ৫৫ পয়সা ব্যয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ চলছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট-২০২০ ইং) বেলা এগারোটার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের নেতৃত্বে কমপ্লেক্সের সামনের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের পর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতান আহম্মেদের পুত্র সাবেক ছাত্রদল নেতা আনোয়ার হোসেন লোকজন নিয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ওই জায়গা দখল করে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

দখলকারী আনোয়ার হোসেন বলেন, ৮৭ জেএলের ৪৭১ খতিয়ানের ১০৪০ নং দাগের (হাল দাগ নং বাটারা দাগ নং ১) ১৮ শতাংশ জমির মধ্যে ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ জমির মালিক তিনি ও বাকি ১ দশমিক ৬ শতাংশ জমির মালিক মাইনুদ্দীন হাওলাদার। দীর্ঘদিন ধরে এই জায়গা বেদখল ছিল। আদালতের নির্দেশে উকিল কমিশনের মাধ্যমে আমাদের জায়গার দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে এবং জায়গার সীমানা নির্ধারণ করে লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কোন জায়গা দখল করিনি।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল আলম মিয়া বলেন, দখলকারীরা প্রকৃতপক্ষে দখলবাজ। তাদের কাজই হচ্ছে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে অন্যের সম্পত্তি নিজের বলে দাবি করা। ১ নম্বর খাস খতিয়ান থেকে সরকার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ৮ শাতাংশ জমি বরাদ্ধ দিয়েছেন। ওই জমিতে বর্তমানে বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। সেখানে তারা আদালতের এক তরফা একটি আদেশ নিয়ে ওই জায়গা তাদের বলে দাবি করেছেন। আমরা এ ব্যাপারে অবশ্যই আদালতের স্মরণাপন্ন হবো।

এম.জাফরান হারুন                                                                                      দেশের কন্ঠ ২৪.কম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
সহযোগিতায় রায়তা-হোস্ট ডিজাইন : SmartiTHost
desharkontho-lite