বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দশমিনায় নিজ বাবাকে জবাই করে হত্যাকারী কুখ্যাত ছেলে ইমরান গ্রেফতার কলাপাড়ায় অবৈধ ০৩টি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ডসহ ০২জন ভূয়া ডাক্তারকে কারাদণ্ড. সমাজসেবায় গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত হলেন কালকিনির নবগ্রামের ইউপি চেয়ারম্যান বিভূতী ভূষন কসবায় খিরনাল প্রিমিয়ার ফুটবল লীগের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে এড. মতিয়র রহমান তালুকদার  স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন  কালিয়াকৈরের  কবর থেকে লাশ চুরির চেষ্টা কালিয়াকৈরে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের   শাখা কমিটি গঠন  আখাউড়ায় ভূমির মালিকানা নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তারাগন গ্রামে সৈয়দ শাহ্ শেরআলী জাঁহারৌশন (রহঃ) সুন্নিয়া মাদ্রাসার নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে আখাউড়া আগরতলা সড়কে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক পথচারী নিহত 

পানির দরেও বিক্রি হচ্ছে না কোরবানির পশুর চামড়া

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৫২ সময় দর্শন

অনলাইন ডেস্ক

উপজেলার শার্শা ও বেনাপোলে কোরবানির পশুর চামড়া পানির দরেও বিক্রি হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অনেকে চামড়া পুঁতে ফেলেছেন। আবার কেউ কেউ মুল্য ঠিক না করেই দিয়ে দিচ্ছেন পাইকারি ক্রেতাদের। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে গ্রামের অসহায়-দুস্থ এবং এতিমখানা ও কওমি হাফিজিয়া মাদ্রাসা।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, গরীব ও দুস্থ মানুষের পাশাপাশি এতিমখানা, হেফজখানা ও কওমি মাদ্রাসাগুলোর অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখে কুরবানির চামড়া বিক্রির টাকা। এ অর্থ গরিব ছাত্রদের পড়ালেখা, থাকা-খাওয়ার পেছনে খরচ করা হয়। এ সহযোগিতা বরাবর পেলেও এবার কাঁচা চামড়ার দাম কম হওয়ায় বিশাল ক্ষতির মুখে পড়েছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই প্রতিষ্ঠানগুলো।

বারোপোতা গ্রামের আল্লাদি বিবি (৮৫) বলেন, প্রত্যেকবার ঈদের পর চামড়ার কিছু টাকা পাই। এবার পালাম না। চামড়া নাকি বিক্রি হচ্ছেনা। তাই এবার কেউ চামড়া বিক্রির টাকা দেয়নি। বড়বাড়িয়া গ্রামের ভিখারি সজ্জোত আলি (৯০) জানান, কোরবানির ঈদে অনেকেই চামড়া বিক্রির  টাকা দিতো, এবার কেউ তা দিলনা।

বালুন্ডা হাইস্কুলের শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি ছাগল কোরবানি দিয়েছি। কিন্তু চামড়ার ক্রেতা না পাওয়ায় মাটিতে পুঁতে ফেলেছি। বালুন্ডা গ্রামের রেজাউল বলেন, এবার চামড়া কিনেছি ১৬০টি। এর মধ্যে ৮৩টি গরুর চামড়া। প্রতিটি কিনেছি ৭০ টাকা থেকে ২০০ টাকা করে। আর ছাগলের চামড়া কিনেছি ১৫/২০ টাকা দরে। অনেকেই চামড়া দিয়েছে দরদাম ঠিক না করি।

সামটা মুসলিম এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক আবুল বাসার বলেন, এবার ঈদে ২৭৭টি চামড়া পেয়েছি কিন্তু চামড়া কেনার জন্য কোনও লোক না পেয়ে এতিমখানার খরচে একজন আড়তদারকে দিয়েছি। তারাও কোন দাম বলেনি। পরে বাজার দর অনুযায়ী টাকা দেয়া হবে এমন আশ্বাস দিয়েছেন।

টেংরা গ্রামের আজিবর রহমান জানান, তিনি ৮২ হাজার টাকায় কেনা গরুর চামড়া বিক্রি করেছেন ৩০০ টাকায়। নাভারন বাগআচড়া বেনাপোল সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন বলেন, কোরবানির ষাঁড়ের মাংস হয়েছে ৬ মন, অথচ তার চামড়া বিক্রি করলাম ৪০০ টাকায়।

বিডি প্রতিদিন/

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
সহযোগিতায় রায়তা-হোস্ট ডিজাইন : SmartiTHost
desharkontho-lite